আজ শুভ মহালয়া, দেবী পক্ষের সূচনায় শুরু হয়ে গেল বাঙালীর শ্রেষ্ট উৎসব। শাস্ত্র অনুযায়ী সূর্য কন্যারাশিতে প্রবেশ করলে পিতৃপক্ষ শুরু হয়ে চলে দেবীপক্ষ পর্যন্ত। মহালয়া মহেন্দ্রক্ষনে
আমাবস্যায় পূর্বপুরুষদের উদ্দেশ্যে জলদানকেই বলা হয় তর্পন ।" তর্পন কথাটির অর্থ তৃপ্তি "। হিন্দু শাস্ত্র অনুযায়ী মহালয়ার শুভক্ষনে পরলোকগত আত্মারা একত্রে উপস্থিত হন।
মহালয়ার চোদ্দ দিন আগে থেকে শুরু হয় পিতৃপক্ষ। মহালয়ার দিন পিতৃপক্ষের শেষদিন। এরপরই শুরু দেবীপক্ষ। পিতৃপক্ষের শেষদিন অর্থাৎ মহালয়ার পুন্যলগ্নে পিতৃপুরুষের উদ্দেশ্যে
বেশীরভাগ মানুষ জলদান করে থাকেন স্বর্গীয়দের আত্মার শান্তি কামনায়। সেই অনুসারে উত্তর দিনাজপুর জেলার রায়গঞ্জের কুলিক নদীর খরমুজা ঘাটে ও বন্দর। অপরদিকে
কালিয়াগঞ্জের শ্রীমতি নদীর ঘাটে এদিন বহু মানুষ তিল জলদানের মাধ্যমে তর্পণ করলেন তাদের পিতৃপুরুষের উদ্দেশ্যে।
তর্পন করতে আসা অজিত কুমার রায় জানিয়েছেন, প্রতিবারেই আমি এখানে পুর্বপুরুষের আত্মশান্তির জন্য তর্পন করে থাকি। অন্যদিকে অমর মলয় চৌধূরী
বলেন, আমাদের ধর্মে যে নিয়ম নিতি অনুযায়ী হয়ে থাকে আমরা প্রতিবার মহালয়ার পূর্নরিথি লগ্নে এখানে আসি তা পালন করতে। পুর্বপুরুষদের আত্মাশান্তির জন্যই আমরা এটা করে
থাকি।
পাশাপাশি ঘাটে আসা পুরোহিত রুদ্রনাথ ভট্টাচার্য জানিয়েছেন, মহালয়ের পুর্ন লগ্নে পিতৃ তর্পন সবাই করছে ভোর থেকে। যারা এটা করে থাকে তাদের পুর্নলাভ
হয় বলে জানান তিনি।